গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় ঢুকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনায় করা মামলায় জামায়াতের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার কিশোরগাড়ি ইউনিয়নের দীঘলকান্দি এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন মামলার প্রধান আসামি ও পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের বায়তুল মালবিষয়ক সম্পাদক পলাশ আহমেদ (৩৫) এবং একই উপজেলার জামায়াতের রোকন গোলজার রহমান (৩৪)। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সরোয়ার আলম খান জানান, গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ মার্চ রাতে পলাশ আহমেদের নেতৃত্বে অজ্ঞাতনামা আরও ২১ জন ব্যক্তি পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কক্ষে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা পলাশবাড়ী বাজারের একটি মুরগির দোকান তালাবদ্ধ করার জন্য ওসি সরোয়ার আলম খানকে চাপ দেন এবং গালিগালাজ শুরু করেন।
একপর্যায়ে পলাশ আহমেদের নেতৃত্বে ওসির শার্টের কলার ধরে টেনেহিঁচড়ে মারধর করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা এলোপাতাড়ি লাথি ও কিলঘুষি মারেন এবং থানার কক্ষে থাকা সরকারি রেজিস্টারপত্র ছিঁড়ে ফেলেন। বাধা দিতে গেলে কয়েকজন কনস্টেবলকেও মারধর করা হয়। পরে পলাশ আহমেদ থানা ঘেরাও করার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
ঘটনার পর ওই রাতেই পলাশবাড়ী থানার সহকারী উপপরিদর্শক রুহুল আমিন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় পলাশ আহমেদকে প্রধান আসামি করে ৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরও ১০ থেকে ১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
সিএ/এমই


