চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে চলাচলরত সৈকত ও প্রবাল এক্সপ্রেস ট্রেনে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত (এসি) বগি এবং কেবিন যুক্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত এই দুটি ট্রেনে সাধারণ বগি থাকায় যাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধা সীমিত ছিল। নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হলে যাত্রীরা এসি আসন ও কেবিনে যাতায়াত করতে পারবেন।
রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যাত্রী চাহিদা এবং আরামদায়ক যাত্রার কথা বিবেচনা করে প্রবাল ও সৈকত এক্সপ্রেসে এসি বগি যুক্ত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এই নতুন বগি কখন থেকে ট্রেনে চলবে, তা এখনও নির্ধারিত হয়নি।
রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান যান্ত্রিক প্রকৌশলী সাদেকুর রহমান বলেন, “চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে আন্তনগর ট্রেনের মানোন্নয়নের জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ভিত্তিতে এসি বগি যুক্ত হবে। এখন এসি বগি না থাকায় যাত্রীদের আগ্রহ কম।”
রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, সৈকত ও প্রবাল এক্সপ্রেসে মোট ১৬টি কোচ থাকবে। নতুন বগি যুক্ত হওয়ার পরে থাকবে ১টি এসি কেবিন, ১টি নন-এসি কেবিন, ৩টি এসি চেয়ার (স্নিগ্ধা), ৮টি শোভন চেয়ার, ১টি পাওয়ার কার এবং ২টি গার্ড ব্রেক কোচ। প্রতিটি ট্রেনে প্রায় সাড়ে সাতশো আসন থাকবে। পুরোনো বগিগুলো পরিবর্তন করা হবে, যা আগে ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটের মহানগর এক্সপ্রেসে ব্যবহার করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে বর্তমানে প্রতিদিন দুই জোড়া ট্রেন চলাচল করে। সৈকত এক্সপ্রেস ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে যায় এবং কক্সবাজারে পৌঁছে প্রবাল এক্সপ্রেস হিসেবে বিকেলে চট্টগ্রামে ফিরে আসে। সোমবার এই ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ।
রেলওয়ের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওপিএস) মোহাম্মদ সফিকুর রহমান বলেন, “চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের আন্তনগর ট্রেনে এসি বগি যুক্ত করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। জনপ্রিয় এই রুটে যাত্রীদের জন্য উন্নত মানের যাত্রা নিশ্চিত হবে। তবে নতুন বগি কখন চালু হবে, তা এখনও নির্ধারিত হয়নি।”
সিএ/এমই


