পার্শ্ববর্তী দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের কম দাম থাকায় সীমান্ত দিয়ে তেল পাচারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজশাহীর পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা তেল ডিপোতে ২৫ মার্চ থেকে তিন প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী রেলস্টেশন-সংলগ্ন শিরোইল কলোনির যমুনা অয়েল ডিপোর সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াজ শাহরিয়ার এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার তেলে ভর্তুকি দেয়, ফলে দেশের বাজারে দাম কম থাকে। এই মূল্য ব্যবধানের কারণে সীমান্ত দিয়ে তেল পাচারের প্রবণতা দেখা দেয়।
রিয়াজ শাহরিয়ার জানান, রাজশাহীতে সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে বিজিবি সরাসরি নজরদারি করছে। জেলায় তিনটি ডিপো থেকে মোট ৬৪টি পেট্রলপাম্পে নিয়মিত তেল সরবরাহ করা হয়, যার মধ্যে সীমান্তবর্তী ৮ কিলোমিটারের মধ্যে ১২টি পাম্প রয়েছে। এসব স্থানে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিজিবি বিশেষ নজরদারি করছে। নৌপথসহ বিভিন্ন রুটেও টহল জোরদার করা হয়েছে, যাতে ব্যারেল বা জার্কিনে তেল পাচার না হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত এলাকায় ১৬টি বিওপি থেকে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। এ পর্যন্ত ১৯২টি বিশেষ টহল, ২২৮টি ভ্রাম্যমাণ চেকপোস্ট পরিচালনা করা হয়েছে। এছাড়া বেলপুকুর ও রাজাবাড়ি চেকপোস্টে প্রায় আড়াই হাজার যানবাহনে তল্লাশি চালানো হয়েছে। নৌপথে স্পিডবোট ব্যবহার করে ৪৮টি টহল পরিচালনা করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিজিবির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ছবি: সংগৃহীত


