টাঙ্গাইলে গতকাল শুক্রবার রাতে ঢাকাগামী সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনা ঘটে কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গু এলাকায়, যেখানে যাত্রীবাহী বাসের তেল শেষ হয়ে থামার পর যাত্রীরা রেললাইনে বসে ছিলেন। নিহতরা সবাই গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার পূর্ব নিজপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই শিল্প এলাকায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
নিহতদের মধ্যে আছেন:
- নার্গিস বেগম (৩৫)
- তাঁর ছেলে নীরব (১২)
- নার্গিসের বড় ছেলের শাশুড়ি দোলা বেগম (৩৫)
- রিফা (২৩)
- সুলতান মিয়া
প্রত্যক্ষদর্শী নূর ইসলাম জানান, ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরার পথে বাস থেমে যাওয়ায় যাত্রীরা রেললাইনে বসে ছিলেন। হঠাৎ ঢাকা থেকে আসা ট্রেন তাদের চাপা দেয়। স্থানীয়রা ও সহযাত্রীদের চিৎকারে পরে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন, কিন্তু কেউ রক্ষা পায়নি।
নার্গিসের খালাতো বোন মুন্নী বেগম বলেন, সকালে রওনা দেওয়ার পর দুপুরে নার্গিসের সঙ্গে কয়েক দফা ফোনে কথা হয়েছিল। যমুনা সেতুর কাছে শেষবার ফোন আসে, এরপর আর কোনও যোগাযোগ হয়নি।
টাঙ্গাইল রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, বাস জব্দ করা হয়েছে, তবে চালক ও সহকারী পলাতক। স্বজনদের আবেদনে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। ভোরে স্বজনরা মরদেহ গ্রামে নিয়ে পৌঁছে দাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সিএ/এমই


