চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গায় হাতবোমা তৈরির সময় ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণের ঘটনায় আবদুল মালেক (৪৬) নামে আরেকজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত পৌনে আটটার দিকে চরবাগডাঙ্গা বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। এই ঘটনায় আগে দুজন নিহত ও তিনজন আহত হন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ জানান, আবদুল মালেক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি না হলেও তদন্তে তার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এই মামলায় এখন পর্যন্ত মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুতর আহত তিনজন বজলুর রহমান, শুভ ও মিনহাজ আলীকে প্রথমে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে চরবাগডাঙ্গা এলাকা থেকে ইউসুফ (৪৫) ও শাকিল (৩৭) নামে আরও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর মূল হোতাদের একজন শরিফ উদ্দীনকেও আটক করা হয়। সর্বশেষ গত শনিবার রাতের মধ্যে আবদুল মালেককে গ্রেপ্তার করা হলে মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়ায় সাতজন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ভোরে সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের ফাটাপাড়া গ্রামে আবুল কালামের বাড়িতে হাতবোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণ ঘটে। এ ঘটনায় আল আমিন ও জিহাদ আলী নামে দুই তরুণ নিহত হন। বজলুর রহমান, শুভ ও মিনহাজ আলী আহত হন।
তদন্তে উঠে এসেছে, বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে শরিফ উদ্দীনের ভাই আবুল কালামের বাড়িতে। বোমা তৈরির কাজ সেখানে দুলালের তত্ত্বাবধানে চলছিল। ঘটনার পর সদর থানার উপপরিদর্শক বেলাল হোসেন বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৮ থেকে ১০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
সিএ/এমই


