খাগড়াছড়ির পানছড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) সদস্য আপন ত্রিপুরা (২৮) নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পানছড়ি সদর ইউনিয়নের বড়কোণা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত আপন ত্রিপুরা স্থানীয়ভাবে ‘সংগ্রাম’ নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি পানছড়ি উপজেলার উল্টাছড়ি ইউনিয়নের মরাটিলা এলাকার পদ্মিনীপাড়ার বাসিন্দা।
ইউপিডিএফের খাগড়াছড়ি ইউনিটের সংগঠক অংগ্য মারমা এক বিবৃতিতে হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানান এবং জেএসএস–সন্তু লারমা পক্ষকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেএসএসের ১৫–২০ জনের একটি সশস্ত্র দল বড়কোণা এলাকায় অবস্থান নেয়। ইউপিডিএফ সদস্য আপন ত্রিপুরা সাংগঠনিক কাজে যাওয়ার পথে তাদের সামনে পড়লে তাকে লক্ষ্য করে কাছ থেকে গুলি করা হয়, এতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
অংগ্য মারমা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে পানছড়ি এলাকায় জেএসএস–সন্তু লারমা পক্ষ খুন, অপহরণ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে, কিন্তু প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। তিনি অবিলম্বে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
পক্ষান্তরে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় সহতথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা এই ঘটনায় সংস্থার কোনো সদস্যের সংশ্লিষ্টতা নেই বলছেন। তিনি বলেন, ইউপিডিএফের সশস্ত্র দল প্রতিপক্ষের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত ছিল, এতে একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফেরদৌস ওয়াহিদ জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে, তবে দুর্গম এলাকার কারণে মরদেহ উদ্ধার করতে সময় লাগছে।
সিএ/এমই


