খুলনা – দিঘলিয়া উপজেলায় যুবদল নেতা খান মুরাদ হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে দিঘলিয়া উপজেলা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেনকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সিদ্ধান্তটি শনিবার কেন্দ্রীয় পর্যায়ে কার্যকর করা হয়।
মঙ্গলবার বিকেলে সেনহাটি এলাকার কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) সামনে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সময় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে যুবদল নেতা খান মুরাদ নিহত হন। মুরাদ দিঘলিয়া উপজেলার হাজিগ্রাম এলাকার বাসিন্দা ও সেনহাটি ইউনিয়ন যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তিনি ড্রেজার (খনন) ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
স্থানীয় ইউএনও কার্যালয়ে কয়েক দিন আগে কাজের দরপত্রকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও যুবদলের মধ্যে কথাকাটাকাটির জের ধরে ঘটেছে এই হামলা। হামলাকারীরা মুরাদের পথরোধ করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন, যেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম জানান, হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে মামলা করা হবে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
সিএ/এমই


