জ্বালানি সংকট নিয়ে জনমনে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তার পেছনে অতিরিক্ত তেল ক্রয় ও মজুত করার প্রবণতাকে প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। জাতীয় সংসদে এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে ২ লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল মজুত রয়েছে। তার মতে, ‘প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি কেনার প্রবণতায় সংকট কৃত্রিমভাবে তৈরি হয়েছে। এ সংকট উত্তরণে সরকার সচেষ্ট রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে।’
সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার নতুন করে জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান তিনি। ‘এপ্রিলে ৫০ হাজার মেট্রিক টন অকটেন আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি দেশীয় উৎস থেকেও ৩০ হাজার টন জ্বালানি পাওয়া যাবে, যা আগামী দুই মাসের চাহিদা মেটাতে সহায়ক হবে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় তেল সরবরাহের অস্বাভাবিক ব্যবধান প্রমাণ করে, জ্বালানি ঘাটতির চেয়ে মজুতের মানসিকতাই বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘আমাদের সরবরাহ ও প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও মানুষ যদি অতিরিক্ত তেল কিনে এবং অবৈধভাবে মজুত করে, তাহলে সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটবে।’
সরকার জনগণের স্বার্থে ভর্তুকি দিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন এবং অপ্রয়োজনীয় জ্বালানি ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি সীমান্তে জ্বালানি পাচারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান।
সিএ/এমআর


