তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংক্রান্ত রায় জালিয়াতি ও হত্যাসহ একাধিক মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের জামিন আবেদনের বিষয়ে আদেশ আজ রোববার দেওয়ার কথা রয়েছে।
গত ৪ মার্চ বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে এ দিন ধার্য করেন।
এর আগে গত বছরের ২৬ অক্টোবর খায়রুল হকের জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। মামলাগুলোতে কেন তাকে জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন ও রাষ্ট্রপক্ষকে ১০ দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল।
বর্তমানে দুদকের দায়ের করা প্লট বরাদ্দের মামলাটি ছাড়া বাকি চারটি মামলার জামিন আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে বলে জানা গেছে।
আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, সারা হোসেন এবং সাঈদ আহমেদ রাজা। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্যাহ আল মাহমুদসহ সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।
এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত দেশের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন, যার মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়।
২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদল কর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এ ছাড়া শাহবাগ ও নারায়ণগঞ্জে রায় জালিয়াতির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আইনজীবীরা জানিয়েছেন, দুদকের দায়ের করা প্লট বরাদ্দ মামলার জামিন সংক্রান্ত রুলটি বর্তমানে হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
সিএ/এমআর


