রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত প্রথম আলো ভবনের আগুনে দগ্ধ অংশ থেকে তৈরি শিল্পকর্ম ‘আলো’র প্রদর্শনীর ১০ম দিন শুক্রবার ছিল। প্রদর্শনীতে দর্শকরা ধ্বংসযজ্ঞের ভয়াবহতা ও মানবতার উপর এর প্রভাব উপলব্ধি করতে পারছেন।
ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান বলেন, “কয়েক মাস আগে উগ্রপন্থীদের অগ্নিসংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ভেতর প্রদর্শনী আয়োজন করা সাহসী ও অনুপ্রেরণামূলক। প্রদর্শনীটি ধ্বংসলীলাকে ভাবনায় আর ক্ষতকে অর্থবহ করে তুলেছে। সচরাচর এমন কিছু দেখা যায় না।”
দর্শনার্থীরা বলেন, এ ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ কখনোই মানবতার মধ্যে পড়ে না। ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের শিক্ষার্থী সাবিকুন নাহার স্বর্ণালী বলেন, “প্রদর্শনী দেখে সেই রাতের ভয়াবহতার কিছুটা অনুভব করতে পেরেছি। আগুন লাগার সময় ভেতরে থাকা মানুষের অভিজ্ঞতার কথাও ভিজ্যুয়ালের মাধ্যমে শুনেছি।”
শৈল্পিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন অন্যান্য দর্শনার্থীরাও। লাবিবা হাসান টিয়া বলেন, “গত ডিসেম্বরের ঘটনা খুবই দুঃখজনক। আজ এখানে এসে তা দেখে খারাপ লাগল।” জুলিয়েট মণ্ডল বলেন, “ঘটনাগুলোকে শিল্পের মাধ্যমে তুলে ধরা অনেক বেশি প্রভাবশালী।”
প্রদর্শনী শুরু হয় ১৮ ফেব্রুয়ারি। প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে ১টা এবং ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। প্রাথমিকভাবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলার কথা ছিল, পরে সময় বাড়িয়ে ২ মার্চ পর্যন্ত প্রদর্শনী চলবে।
সিএ/এমই


