পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে সুবিদখালী বাজারের ফল ব্যবসায়ী নির্মল দাসকে (৫০) মারধর ও পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন সিকদারের বিরুদ্ধে। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার সুবিদখালী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
ওই ঘটনায় ব্যবসায়ী নির্মল দাস বিএনপি নেতা সুজন সিকদারসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মির্জাগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বিএনপি নেতা সুজন সিকদার দীর্ঘদিন ধরে নির্মল দাসের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছেন।
জানা যায়, গত ২২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নির্মল দাস বাড়ি থেকে সুবিদখালী তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার পথে সুজন সিকদার ও তার সহযোগীরা তাঁকে দেখে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। নির্মল চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মির্জাগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যান।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, সুজন সিকদার ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর মির্জাগঞ্জে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস চালাতে থাকেন। ২০০৪ সালে তিনি এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে পালিয়ে যান। ৫ আগস্টের পর আবারও এলাকায় এসে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালান।
অভিযুক্ত বিএনপি নেতা মো. সুজন সিকদার বলেন, নির্মল দাসের ছেলে মাদকের সঙ্গে জড়িত, তাই এলাকার পরিবেশ ঠিক রাখতে নির্মল দাসকে সতর্ক করা হয়েছিল। ঘটনাস্থলে তিনি নির্মল দাসকে দেখে জিজ্ঞাসা করলে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে টানাহেঁচড়া হয়েছে। তাঁর দাবি, কোনো চাঁদা চাওয়া হয়নি এবং অভিযোগ মিথ্যা।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবদুস ছালাম বলেন, সুবিদখালী বাজারের হিন্দু ব্যবসায়ীকে মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এটি আমলে নেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সিএ/এএ


