ঢাকা, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ – অভিজ্ঞ ও নতুনদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে বিএনপির নতুন মন্ত্রিসভা। এবার অনেক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী প্রথমবার গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে কেউ কেউ কম গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পান। একাধিক মন্ত্রণালয় একজন মন্ত্রীর অধীনে আনা হয়েছে, এবং সঙ্গে একজন বা একাধিক প্রতিমন্ত্রী রাখা হয়েছে।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গত মঙ্গলবার ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা যাত্রা শুরু করেছে। এতে পূর্ণ মন্ত্রী ২৫ ও প্রতিমন্ত্রী ২৪ জন। ৪১ জন প্রথমবার মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন।
টেকনোক্র্যাট কোটায় প্রথমবার মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন আমিন উর রশিদ। তিনি কৃষি, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ—এই তিনটি মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী। প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন সুলতান সালাউদ্দিন (টুকু)।
ঢাকা-১০ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়ে পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন শেখ রবিউল আলম। তাঁর অধীনে রয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। এই তিনটি মন্ত্রণালয়ের জন্য দুজন প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ করা হয়েছে—হাবিবুর রশিদ ও রাজীব আহসান।
সিলেট জেলা থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য হওয়া খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন কিশোরগঞ্জের শরিফুল আলম।
জ্যেষ্ঠ নেতা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, আমীর খসরু মাহমুদ অর্থ ও পরিকল্পনা, সালাহউদ্দিন আহমদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।
নতুন মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট, নতুন সংসদ সদস্য ও অভিজ্ঞ নেতাদের মিশ্রণ লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নতুনদের বড় দায়িত্ব দিয়ে সরকারের সমন্বয় ও বাস্তবায়নের দক্ষতা পরীক্ষার মুখে পড়বে।
সিএ/এমই


