জামালপুরের পাঁচটি সংসদীয় আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় পার্টি ও গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থীসহ ২৪ জন জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী কোনো সংসদীয় আসনে বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ বা কমপক্ষে সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট না পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। প্রাপ্ত ফলাফলে এসব প্রার্থী নির্ধারিত সীমার নিচে ভোট পাওয়ায় তাদের জামানত হারিয়েছে।
জামালপুর-১ আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৭৬ হাজার ৭৫৪টি। এখানে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুর রউফ তালুকদার (৪ হাজার ১২১ ভোট), গণ অধিকার পরিষদের রফিকুল ইসলাম (২২৬ ভোট) এবং জাতীয় পার্টির ফজলুল হক (৯৩১ ভোট)।
জামালপুর-২ আসনে মোট বৈধ ভোট ১ লাখ ৬০ হাজার ১৮১। এখানে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সুলতান মাহমুদ (১ হাজার ৭১৩ ভোট) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী অর্ণব ওয়ারেস খান (১৭৪ ভোট)।
জামালপুর-৩ আসনে বৈধ ভোটের সংখ্যা ৩ লাখ ১৬ হাজার ১৪৬। জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ দৌলতুজ্জামান আনছারী (২ হাজার ৫৪৬ ভোট), গণ অধিকার পরিষদের লিটন মিয়া (৪১২ ভোট), জাতীয় পার্টির মীর সামসুল আলম (৮৪৪ ভোট), গণসংহতি আন্দোলনের ফিদেল নঈম (৬৪৩ ভোট), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সাদিকুর রহমান (১২ হাজার ৫২ ভোট), শিবলুল বারী রাজু (১০ হাজার ৫২৩ ভোট) এবং ফারজানা ফরিদ (২৮৪ ভোট)।
জামালপুর-৪ আসনে মোট বৈধ ভোট ১ লাখ ৯৫ হাজার ৭৩১। এখানে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আলী আকবর (১ হাজার ৩০২ ভোট), গণ অধিকার পরিষদের মো. ইকবাল হোসেন (৩৮৩ ভোট), নাগরিক ঐক্যের মো. কবির হাসান (৩৭৯ ভোট) এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. মাহবুব জামান জুয়েল (১ হাজার ৩১৪ ভোট)।
জামালপুর-৫ আসনে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২৩ হাজার ৫৬টি বৈধ ভোট পড়েছে। এখানে জামানত হারিয়েছেন বাংলাদেশ কংগ্রেসের আবু সাঈদ মোহাম্মদ সা. আদাত-উল করীম (২২৫ ভোট), গণ অধিকার পরিষদের জাকির হোসেন (৫৩৯ ভোট), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মো. আমিন উদ্দিন (৫৮০ ভোট), জাতীয় পার্টির মো. বাবর আলী খান (৩ হাজার ৭৩৯ ভোট), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির শেখ মো. আক্কাস আলী (৫৪৭ ভোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সৈয়দ ইউনুস আলী (৪ হাজার ২৮২ ভোট), স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ ইব্রাহীম আহমদ (৩৫৪ ভোট) এবং হোছনেয়ারা বেগম (২৪৫ ভোট)। প্রাপ্ত ভোটের হার প্রয়োজনীয় সীমার নিচে থাকায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জামালপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আনোয়ারুল হক জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা করে জামানত জমা দিতে হয়। কোনো প্রার্থী মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পেলে জামানত রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হয়।
সিএ/এমই


