আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া-কটিয়াদী) আসনের মনোয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৯ প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনের মনোয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর মনোয়নপত্রও রয়েছে। অন্যদিকে দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থীসহ ৫ জনের মনোয়নপত্র প্রাথমিকভাবে বাতিল করা হয়েছে।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আসলাম মোল্লা আনুষ্ঠানিকভাবে মনোয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে এই ঘোষণা দেন। এ সময় সংশ্লিষ্ট আসনের সব দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ প্রস্তাবকারী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।
মনোয়নপত্র বৈধ হওয়া প্রার্থীরা হলেন- বিএনপির অ্যাড. মো. জালাল উদ্দীন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. শফিকুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির মো. আফজাল হোসেন ভূঁইয়া এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. শাহরিয়ার জামান।
অন্যদিকে মনোয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আবুল বাশার রেজওয়ান, গণঅধিকার পরিষদের মো. শফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের মো. বিল্লাল হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আনিসুজ্জামান খোকন এবং নূর উদ্দীন আহমেদ।
মনোয়নপত্র বাতিলের কারণ হিসেবে জেলা প্রশাসক উল্লেখ করেন, যাচাই-বাছাইয়ে দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর ভোটারের এক পারসেন্টের গড়মিল পাওয়া, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের প্রার্থীদের কাগজপত্রে ত্রুটি এবং গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা থাকায় তাদের মনোয়নপত্র প্রাথমিকভাবে বাতিল করা হয়েছে।
মনোয়নপত্র বাছাই কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজাবে রহমত, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. নাহিদ হাসান খান, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এবং বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ সব দলের প্রার্থী, প্রস্তাবকারী ও সমর্থকরা।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আসলাম মোল্লা জানান, যাচাই-বাছাইয়ের সময় ৫ প্রার্থীর কাগজপত্রে ত্রুটি ধরা পড়ায় তাদের মনোয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। অন্য ৪ প্রার্থীর মনোয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে মনোয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করতে পারবেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সঠিক সময়ে সম্পন্ন করা হবে।
মনোয়নপত্র ঘোষণার পর সন্তোষ প্রকাশ করে বিএনপির প্রার্থী অ্যাড. মো. জালাল উদ্দীন বলেন, ‘দলের নেতাকর্মী ও ভোটারদের কাছে আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ভোটাররা দীর্ঘদিন ভোট দিতে পারেননি। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নতুন ও পুরাতন ভোটাররা আনন্দের সঙ্গে ভোট কেন্দ্রে যাবেন বলে আমি আশা করছি।’
সিএ/এএ


