চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে টানা দুদিন ধরে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) জেলায় চলতি মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা দেশের সর্বোচ্চ বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৩১ শতাংশ। এতে প্রখর রোদ আর ভ্যাপসা গরমে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
এর আগের দিন বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে, ফলে তাপপ্রবাহের তীব্রতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, তীব্র গরমে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষরা। জীবিকার তাগিদে প্রখর রোদে কাজ করতে গিয়ে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। অপ্রয়োজনে বাইরে বের হওয়া কমিয়ে দিয়েছেন সাধারণ মানুষ, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরে অবস্থান করছেন অনেকে।
পথচারী কিতাব আলী বলেন, গত দিন ধরে প্রচণ্ড গরম অনুভব হচ্ছে। বিশেষ করে বেলা বাড়লে আর বাইরে থাকা যাচ্ছে না। প্রখর রোদে মনে হচ্ছে শরীর ঝলছে যাচ্ছে।
কৃষক আকবর আলী বলেন, সকাল ৭টায় মাঠে এসেছিলাম। খুব কষ্টে ১১পর্যন্ত কাজ করেছি। এ রোদ, গরমে কাজ করা কষ্টের। তাই বাড়ি ফিরছি।
মোটরসাইকেল চালক আক্তারুল ইসলাম বলেন, গরমে সিদ্ধ হওয়ার মতো অবস্থা। যেতে হবে বহুদূর, তাই একটু বিশ্রাম নেওয়ার জন্য কাঁঠাল গাছের নিচে দাঁড়ালাম। বেশ ভালোই হলো, এ সুযোগ এক গ্লাস বেলের ঠাণ্ডা শরবত খেয়ে নিলাম।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানিয়েছেন, মাঝারি তাপদাহ আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রবণতা বজায় থাকতে পারে।
সিএ/এএ


