চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাম ও হামজনিত নিউমোনিয়ার সম্ভাব্য লক্ষণ নিয়ে ১২ শিশু ভর্তি হয়েছে। শিশুদের বয়স ১৫ মাসের কম এবং অধিকাংশই কক্সবাজার অঞ্চলের। নতুন ভর্তি শিশুদের শিশু ওয়ার্ডের আলাদা কর্নারে রাখা হয়েছে, যেখানে অন্য কোনো রোগী রাখা হচ্ছে না।
শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ মুছা মিঞা জানিয়েছেন, সাধারণত হামের লক্ষণ দেখে প্রাথমিকভাবে রোগ শনাক্ত করা হয়। তবে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়। বর্তমানে আলাদা ব্যবস্থা না থাকলেও রোগীদের আলাদা স্থানে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাম একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা কাশি ও হাঁচির মাধ্যমে দ্রুত ছড়ায়। জ্বর, সর্দি, কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেওয়া প্রধান লক্ষণ। শিশুদের মধ্যে ঝুঁকি বেশি এবং জটিলতা হলে নিউমোনিয়াসহ অন্যান্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। এমএমআর টিকা গ্রহণই এ রোগ প্রতিরোধের প্রধান উপায়।
দাতা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের ৪ জানুয়ারি কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রথম হাম শনাক্ত হয় এবং ১০ জানুয়ারি সতর্কতা জারি করা হয়। বাংলাদেশ এখনো হামমুক্ত দেশ নয়। কিছু শিশু নিয়মিত টিকা পাচ্ছে না এবং কয়েক বছর ধরে হাম ও রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি হয়নি।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন বলেন, “এখনো নিশ্চিত করে হাম বলা যাচ্ছে না, তবে রোগীদের আলাদা রাখা হয়েছে।”
সিএ/এমই


