পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে সাভার ও আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চল ঘিরে মহাসড়কগুলোতে ঘরমুখী মানুষের চাপ বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয়রা পাঁচটি মূল কারণে যানজটের শঙ্কা দেখাচ্ছেন।
১. অবৈধ অটোরিকশার দৌরাত্ম্য:
ঢাকা-আরিচা ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সার্ভিস লেন দখল করে চলাচল করছে। যাত্রী তুলতে যত্রতত্র দাঁড়ানো এবং উল্টো পথে চলাচলের কারণে দূরপাল্লা বাস ও অন্যান্য যানবাহনের গতি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
২. যত্রতত্র বাস থামানো ও এলোমেলো পার্কিং:
সাভার ও নবীনগর বাসস্ট্যান্ডে বাস যাত্রী ওঠানামার জন্য অগোছালোভাবে থামে। মূল সড়কে বাস দাঁড়ানো ও আড়াআড়িভাবে দাঁড়ানো অতিরিক্ত যানজট সৃষ্টি করছে।
৩. সরু সড়ক ও বিশৃঙ্খলা পাকিজা এলাকায়:
পাকিজা এলাকায় ইউলুপ নির্মাণের কারণে লেন সংকুচিত। বাস থামানো, অটোরিকশার চলাচল ও যানবাহনের পারাপার মিলিত হয়ে যানজট তৈরি করছে।
৪. নির্মাণকাজে সড়ক সংকুচিত:
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণকাজের কারণে বাইপাইল সড়কের কিছু অংশে গর্ত ও সড়ক সংকুচিত। ধুলার স্তরও যান চলাচলকে ধীর করে দিচ্ছে।
৫. দূরপাল্লার যানবাহনের বিকল্প রুট ব্যবহার:
উত্তরাঞ্চলগামী বাসগুলো এখন পূর্বে ব্যবহৃত রুট ছাড়াই বিকল্প রুট ব্যবহার করছে। এতে নির্দিষ্ট সড়কে যানচাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে।
সমাধান:
পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মহাসড়কে অবৈধ অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ, নির্দিষ্ট স্থানে যাত্রী ওঠানামা, বাসস্ট্যান্ডে শৃঙ্খলা, পর্যাপ্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন, ভাসমান দোকান উচ্ছেদ এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ করা প্রয়োজন।
ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম জানান, যানজট ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বাসস্ট্যান্ডে ৯ শতাধিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি।
সিএ/এমই


