বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া নদীর ওপর নির্মিত গোমা সেতু উদ্বোধনের সময় সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, ঢাকা–বরিশাল মহাসড়ক এখনো দুই লেনের হওয়ায় চলাচল কঠিন। সরকার ইতোমধ্যে সড়কটি আরও প্রশস্ত করার পরিকল্পনা করছে এবং দ্রুত কাজ শুরু করার প্রস্তুতি রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, ঈদে ঢাকার প্রায় দেড় কোটি মানুষ ঘরমুখী হওয়ার কারণে সড়ক ও নৌপথের প্রস্তুতি চ্যালেঞ্জিং, তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করা হবে। নৌপথের উন্নয়নের জন্য ৭,৫০০ কিলোমিটার নৌপথ নিয়মিত ড্রেজিং করা হচ্ছে। এর মধ্যে ১,২০০ কিলোমিটার খনন চলছে, এবং আরও ৪,৫০০ কিলোমিটার খননের পরিকল্পনা আছে।
গোমা সেতুর দৈর্ঘ্য ২৮৩ দশমিক ১৮৮ মিটার এবং প্রস্থ ১০ দশমিক ২৫ মিটার। সংশোধিত প্রকল্পে ব্যয় ৯২ কোটি ৪৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। সেতু নির্মাণের ফলে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে পটুয়াখালীর সরাসরি যোগাযোগ সহজ হবে এবং অন্তত পাঁচ লাখ মানুষের যাত্রা সময় ১–২ ঘণ্টা কমবে।
সেতু নির্মাণের সময় নকশা ও উচ্চতা পরিবর্তনের কারণে প্রকল্পটি পাঁচবার সময় বৃদ্ধি পায়। শুরুর নকশায় সর্বোচ্চ জোয়ারের সময় উচ্চতা ধরা হয়েছিল ৭ দশমিক ৬২ মিটার, যা পরে ১২ দশমিক ২০ মিটার করা হয়। মাঝখানে স্টিল ট্রাস স্প্যান যুক্ত করা হয়েছে, যা দক্ষিণাঞ্চলে প্রথমবার নির্মিত।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সড়ক ও রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মণি, বরিশাল-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান এবং অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।
সিএ/এমই


