ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে টানা ছুটির সময় কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পর্যটকের আগমনের প্রস্তুতি চলছে জোরেশোরে। দেশের দীর্ঘতম এই সমুদ্রসৈকতে পর্যটকদের স্বাগত জানাতে হোটেল, মোটেল ও রিসোর্টগুলো প্রস্তুত রয়েছে।
সৈকত এলাকায় এখন চলছে ব্যাপক কর্মচাঞ্চল্য। জেট স্কি চালক, বিচ বাইক মালিক, ঘোড়াওয়ালা ও ফটোগ্রাফাররা পর্যটকদের আকর্ষণ করতে নিজেদের প্রস্তুত করছেন। একই সঙ্গে শামুক-ঝিনুক ও বিভিন্ন বিদেশি পণ্যের দোকানগুলোও নতুনভাবে সাজানো হয়েছে।
পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, ঈদের ছুটিতে বিপুলসংখ্যক পর্যটকের সমাগম হবে। রমজান মাসে পর্যটক কম থাকায় ব্যবসায় কিছুটা স্থবিরতা ছিল, তবে ঈদকে ঘিরে সেই পরিস্থিতি বদলাবে বলে প্রত্যাশা তাদের।
হোটেল খাতেও ইতোমধ্যে বুকিং বেড়েছে। অনেক হোটেলে অগ্রিম কক্ষ সংরক্ষণ ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে। পর্যটকদের বিনোদনের জন্য বিভিন্ন আয়োজন রাখা হয়েছে, যার মধ্যে বিশেষ অনুষ্ঠান ও খাবারের আয়োজনও রয়েছে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ট্যুরিস্ট পুলিশ, লাইফগার্ড ও অন্যান্য বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি সমুদ্রে গোসলের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট স্থানে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পর্যটন সংশ্লিষ্টদের মতে, নির্বাচন পরবর্তী স্বাভাবিক পরিস্থিতি এবং দীর্ঘ ছুটির সুযোগে এবার কক্সবাজারে পর্যটকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে পারে। এতে স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
সিএ/এমআর


