হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে রাসেল মিয়া (২৭) নামের এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে। কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, জ্বর থেকে খিঁচুনি হয়ে বুধবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তবে পরিবারের সদস্যরা এ ঘটনাকে হত্যা বলে অভিযোগ করেছেন।
বুধবার (১১ মার্চ) সকালে এ ঘটনা ঘটে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
কারাগার সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার বনগাঁও গ্রামের বাসিন্দা রাসেল মিয়া একটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে গত ৫ জানুয়ারি থেকে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে আটক ছিলেন। বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন।
প্রথমে তাঁকে কারাগারের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ফাইকা রহমান বলেন, ময়নাতদন্ত ছাড়া মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়।
হবিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেলার মো. বিলাল উদ্দিন জানান, রাসেল মিয়া কিছুদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন এবং তাঁকে কারাগারের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। বুধবার সকালে জ্বরের কারণে খিঁচুনি শুরু হলে তাঁর মৃত্যু হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রাসেল মিয়ার মৃত্যুর খবর পেয়ে তাঁর বাবা আতিক মিয়াসহ পরিবারের সদস্যরা বেলা একটার দিকে কারাগারে আসেন। তবে পরিবার দাবি করছে, রাসেল মিয়া কারাগারের ভেতরে সুস্থ ছিলেন এবং তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।
আতিক মিয়া বলেন, মঙ্গলবার রাতে তাঁর ছেলে মুঠোফোনে মায়ের সঙ্গে কথা বলেছিল এবং তখন সে ভালো থাকার কথা জানিয়েছিল। তিনি বলেন, ‘আমার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে।’
সিএ/এমই


