চলতি সপ্তাহে দেশের পুঁজিবাজারে বড় পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন হয়েছে। এর ফলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন সপ্তাহ ব্যবধানে ২০ হাজার ৪১৩ কোটি টাকা কমে ৬ লাখ ৯৭ হাজার ৯৫১ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।
পুঁজিবাজারের সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেখা যায়, ডিএসইর বাজার মূলধন সপ্তাহ ব্যবধানে ২.৮৪ শতাংশ কমেছে। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে বাজার মূলধন ছিল ৭ লাখ ১৮ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা।
চলতি সপ্তাহে ডিএসইর সব সূচকের মান কমেছে। প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৩৫৯.৪৩ পয়েন্ট বা ৬.৪২ শতাংশ কমেছে। ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ১৫৭.৯৫ পয়েন্ট বা ৭.২৮ শতাংশ এবং ডিএসইএস সূচক কমেছে ৬৭.৪৭ পয়েন্ট বা ৬.০৪ শতাংশ।
লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ৪৮২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহের ৩ হাজার ৬২৪ কোটি ৩০ লাখ টাকার তুলনায় ১৪১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা কম। গড়ে প্রতিদিন লেনদেন কমেছে ২৮ কোটি ৩৭ লাখ টাকা বা ৩.৯১ শতাংশ, চলতি সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ৬৯৬ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৯২টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৫৯টির দাম বেড়েছে, ৩২৫টির কমেছে এবং ৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) তেও পতন দেখা গেছে। প্রধান সূচক সিএএসপিআই ও সিএসসিএক্স যথাক্রমে ৪.৯৪ শতাংশ ও ৫.৪৯ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৪৮২৫.১৩ পয়েন্টে ও ৯০৬০.৫১ পয়েন্টে। সিএসই-৫০ সূচক কমেছে ৬.০৬ শতাংশ, অবস্থান করছে ১১৩৪.৩২ পয়েন্টে। সিএসই-৩০ সূচক কমেছে ৭.০১ শতাংশ এবং সিএসআই সূচক কমেছে ৪.৭৪ শতাংশ, দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ১৩১৯৭.০৭ পয়েন্ট ও ৮৮৯.৫৬ পয়েন্টে।
সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১০৬ কোটি ২ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহের ৮৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকার তুলনায় ২১ কোটি ১৪ লাখ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এখানে ২৮৫টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যার মধ্যে ৬৩টির দাম বেড়েছে, ২১৩টির কমেছে এবং ৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
সিএ/এসএ


