যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যার মামলায় আরও এক যুবক মনিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার স্বীকারোক্তি দিয়ে তিনি আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। মনিরুলের বিরুদ্ধে মোট ১৭টি মামলা রয়েছে। পুলিশ হত্যার সময় ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করেছে।
মনিরুল যশোর শহরের ষষ্ঠীতলাপাড়া এলাকার আবদুল খালেকের ছেলে। শনিবার রাতে ঝুমঝুমপুর মাস্টারপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। যশোর আদালতের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব আহম্মেদ ইমন মনিরুলের স্বীকারোক্তি গ্রহণ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি উপপরিদর্শক অলক কুমার দে বলেন, মনিরুলের স্বীকারোক্তিতে বেরিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন আলমগীরের জামাতা পরশ। আলমগীর হত্যায় মোট ১০ থেকে ১২ জন অংশ নিয়েছিলেন। হত্যার আগে পরশ ১৫ লাখ টাকা খরচ ধরেছিলেন। হত্যার দিন বিকেলে ৫ লাখ টাকা ও একটি পিস্তল দেওয়া হয়েছিল মূল শুটার ত্রিদিব চক্রবর্তীকেও।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আলমগীর হোসেনকে হত্যা করতে তিনটি মোটরসাইকেল ব্যবহার করা হয়। প্রথম মোটরসাইকেলে ছিলেন অমিত ও ত্রিদিব, দ্বিতীয় ও তৃতীয় মোটরসাইকেলে আরও কয়েকজন ছিলেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে আলমগীর মোটরসাইকেল চালিয়ে শংকরপুর বটতলা হয়ে ইসহাক সড়কে আসার সময় তিনটি মোটরসাইকেল তাকে অনুসরণ করে। সাবেক কাউন্সিলর নয়নের অফিসের কাছে পৌঁছালে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে ত্রিদিব গুলি চালান। এরপর হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গ্রেপ্তাররা হলেন আলমগীরের জামাতা পরশ, সহযোগী সাগর, মূল শুটার ত্রিদিব চক্রবর্তী, শাহীন কাজী এবং মনিরুল।
সিএ/এমই


