রমজান মাসে ইফতার মুসলমানদের ধর্মীয় ও সামাজিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সারাদিন রোজা পালনের পর সন্ধ্যায় ইফতার গ্রহণ করা হয় এবং দেশের বিভিন্ন মসজিদে এ সময় ইফতারের আয়োজন করা হয়, যেখানে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ দিয়েছেন, যাদের কাছে রমজান মাস উপস্থিত হবে, তারা যেন এ মাসে রোজা পালন করে। শরিয়তসম্মত কারণ ছাড়া রোজা পরিত্যাগ করা অনুচিত এবং এর জন্য জবাবদিহিতা রয়েছে বলে ইসলামি বিধানে উল্লেখ আছে।
এ পরিস্থিতিতে অনেকের প্রশ্ন, কোনো ব্যক্তি যদি শরিয়তসম্মত কারণে রোজা রাখতে না পারেন, তাহলে তিনি কি মসজিদের ইফতার খেতে পারবেন। ইসলামি স্কলারদের মতে, কোনো কারণে রোজা না রাখা ব্যক্তি মসজিদের ইফতার আয়োজন থেকে ইফতার গ্রহণ করতে পারবেন।
ওলামায়ে কেরাম বলেন, সাধারণত মসজিদে ইফতারের আয়োজনকারী ব্যক্তিরা রোজাদার ও অরোজাদার কাউকে আলাদা করেন না। উপস্থিত অনেকেই যে রোজাদার নন, তা জেনেও তাদের বাধা দেওয়া হয় না। এটি এক ধরনের অনুমতি হিসেবে গণ্য হয়।
হাদিসে এসেছে, কাউকে খাবারের আমন্ত্রণ জানানো হলে বা আমন্ত্রণকারীর প্রতিনিধি সঙ্গে থাকলে সেটিই অনুমতির অন্তর্ভুক্ত। তবে বিশেষ একটি শর্ত রয়েছে। যদি ইফতারের খাবার সীমিত হয় এবং রোজাদারদের জন্য পর্যাপ্ত না থাকে, তাহলে রোজা না রাখা ব্যক্তির উচিত খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকা, যাতে রোজাদারদের অধিকার ক্ষুণ্ণ না হয়।
সিএ/এমআর


