জাতীয় দলের পুরুষ ফুটবল খেলোয়াড়দেরও সরকারি বেতনের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। বছরের বেশির ভাগ সময় ক্লাব ফুটবল খেলে যে অর্থ উপার্জন হয়, জাতীয় দলে খেলার সময় তেমন কোনো ম্যাচ ফি বা সম্মানী পান না পুরুষ ফুটবলাররা। তবে নতুন উদ্যোগে নারী ফুটবল খেলোয়াড়দের মতোই পুরুষ খেলোয়াড়দেরও মাসিক ভিত্তিতে সরকারি চুক্তির আওতায় স্থায়ী বেতন কাঠামোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিভিন্ন ফেডারেশনের সঙ্গে বৈঠক করে বিষয়টি তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। পরদিন (২৪ ফেব্রুয়ারি) বাফুফে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেন, ‘নারী ফুটবলাররা যেভাবে ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরম্যান্স করছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তাদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি পুরুষ ফুটবলারদেরও প্রণোদনার আওতায় আনা হবে। পুরুষ ও নারী উভয় দলের ফুটবলাররা মাসিক ভিত্তিতে সরকারি চুক্তির আওতায় বেতনের সুবিধা পাবেন।’
নারী ফুটবলাররা ইতিমধ্যেই বাফুফের মাসিক বেতনের আওতায় রয়েছেন। সরকারের উদ্যোগের ফলে ঋতুপর্ণাদের পাশাপাশি হামজা-জামালরাও বেতনের আওতায় আসছেন। এছাড়া প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, ফিফার অনুদানের আওতায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) কয়েকটি মাঠ ব্যবহারের জন্য সরকারের কাছে আবেদন করেছে। আলোচনার পর কমলাপুর স্টেডিয়াম, সিলেট স্টেডিয়াম ও চট্টগ্রাম স্টেডিয়াম—এই তিনটি ভেন্যুই চুক্তির ভিত্তিতে বাফুফের কাছে বরাদ্দ দেওয়া হবে। খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।
বয়সভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট চালু রাখতে একটি ক্যালেন্ডার তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘জেলা পর্যায়ে লিগগুলো দীর্ঘদিন ধরে চালু ছিল না। তবে গত বছর থেকে আন্তঃজেলা ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে। আমরা চাই, সেটাকে স্থায়ীভাবে প্রত্যেক জেলায় পরিচালনা করা হোক। আমাদের বয়সভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্টগুলোও বার্ষিক ক্যালেন্ডারের আওতায় আয়োজন করা হবে।’
সিএ/এসএ


