বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ভারী শিল্পে ব্যবহৃত জ্বালানি ফার্নেস অয়েলের দাম লিটারে ১৫ টাকা ৯০ পয়সা কমানো হয়েছে। প্রথমবারের মতো গণশুনানির ভিত্তিতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) মাধ্যমে ফার্নেস অয়েলের নতুন দাম লিটারে ৭০ টাকা ১০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিইআরসির সচিব মো. নজরুল ইসলাম সরকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই দাম ঘোষণা করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাত ১২টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে। এরপর বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্পকারখানা ও অন্যান্য গ্রাহকদের কাছে ফার্নেস তেল প্রতি লিটার ৭০ টাকা ১০ পয়সা দরে বিক্রি করবে। এর আগে এটি প্রতি লিটার ৮৬ টাকায় বিক্রি হতো।
ফার্নেস তেল বিপণনের ক্ষেত্রে পদ্মা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড (পিওসিএল), মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড (এমপিএল), যমুনা অয়েল কোম্পানী লিমিটেড (জেওসিএল) এবং স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেড (এসএওসিএল) লিটারে যথাক্রমে শূন্য দশমিক ৭১ টাকা বিপণন চার্জ ও এক দশমিক ২০ টাকা পরিবহন চার্জ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরেই বিপিসি ফার্নেস তেলের দাম নির্ধারণ করে আসছে। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ১৫ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ফার্নেস এবং জেটএ-১ তেলের দাম নির্ধারণের দায়িত্ব বিইআরসির ওপর দেয়া হয়। বিদ্যুৎ কেন্দ্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় ডিজেলে, এরপর ফার্নেস তেল। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৯ লাখ ৫৫ হাজার ৯১২ টন ফার্নেস তেল বিক্রি হয়েছে।
মোট বিক্রি করা ফার্নেস অয়েলের মধ্যে ৩৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ ইস্টার্ন রিফাইনারি থেকে পরিশোধন করা, বাকি ৬৫ দশমিক ১৪ শতাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়েছে। দাম কমার ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ কমবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
সিএ/এসএ


