ছোটরা সাধারণত মুখরোচক, ভাজাভুজি ও জাঙ্ক ফুড খেতে বেশি পছন্দ করে। অনেক অভিভাবক বাইরের খাবার খাওয়াতে উৎসাহ দেন। তবে স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের উপর নির্ভরতা কমানোর জন্য বাড়িতে সুস্থ ও আকর্ষণীয় খাবার পরিবেশন করাই সমাধান।
প্যারেন্টিং কনসালট্যান্ট পারমিতা মুখোপাধ্যায় বলেন, খাবার যদি চোখে সুন্দর ও আকর্ষণীয় লাগে, তবে শিশু স্বাভাবিকভাবেই তা খেতে আগ্রহী হবে। উদাহরণস্বরূপ, রুটির উপরে গাজর, শসা বা টমেটো দিয়ে সাজানো, ছোট ছোট ফল পরিবেশন করা, ফল ও সবজি দিয়ে ফ্রুট সালাদ তৈরি করা।
শিশুকে রান্না শেখানোও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি রান্নার সময় সবজি ধুয়ে দিতে, সালাদ কেটে সাজাতে এবং ফল ছোট ছোট করে পরিবেশন করতে বলার মাধ্যমে খাবারের প্রতি আগ্রহ তৈরি করা যায়। মাঝেমধ্যে বাজারে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন সবজির সঙ্গে পরিচয় করানোও কার্যকর।
বাইরের খাবার ধীরে ধীরে কমিয়ে বাড়িতে পুষ্টিকর খাবার পরিবেশন করা, যেমন টাটকা ফলের রস, পাতা দইয়ের ওপর ফল বা টুটি ফ্রুটি দেওয়া, ওটসের পরোটার ওপর সবজি ও সিদ্ধ চিকেন সাজানো, শিশুদের খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনতে সহায়ক।
সিএ/এমআর


