রমজান মাস শুরু হলে জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানদের শেকলে বেঁধে রাখা হয়—এ মর্মে হাদিসে বর্ণনা এসেছে। তবে ওলামায়ে কেরাম বলেন, শয়তানের বন্দিত্ব বিষয়টি সার্বিক অর্থে নয়, বরং প্রকৃত অর্থে রোজা পালনকারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
যে ব্যক্তি রোজার আদব ও শর্ত পূর্ণভাবে মেনে চলে, গুনাহ থেকে বিরত থাকে এবং আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করে, তার ওপর শয়তানের প্রভাব দুর্বল হয়ে পড়ে। কিন্তু কেবল না খেয়ে থাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে শয়তান থেকে পূর্ণ সুরক্ষা পাওয়া যায় না।
রমজানের রোজা মানুষের অন্তরে তাকওয়া সৃষ্টি করে এবং আল্লাহভীতিকে জাগ্রত করে। এ মাস প্রতি বছর মানুষকে আল্লাহর সঙ্গে নতুন করে সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ এনে দেয়। রোজা যেন এক ধরনের আত্মিক প্রতিরক্ষা বলয়, যা মানুষকে গুনাহ ও কুপ্রবৃত্তি থেকে রক্ষা করে।
এই মাসে জান্নাত কামনা ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির দোয়া করার মাধ্যমে একজন মুমিন আল্লাহর বিশেষ রহমতের উপযুক্ত হয়ে ওঠে। প্রকৃত অর্থে রোজার এই শিক্ষাই রমজানকে বরকতময় করে তোলে।
সিএ/এমআর


