ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ রিয়াজের পরিবারের সঙ্গে ইফতার করেছেন ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানার তারানগর ইউনিয়নের ছোট ভাওয়াল গ্রামে শহীদ রিয়াজের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাঁদের খোঁজ-খবর নেন। পরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মিলিত হয়ে ইফতারে অংশ নেন তিনি।
এসময় আমানউল্লাহ আমান বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগ জাতি কখনো ভুলবে না। তাঁদের ত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। শহীদ পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদদের রক্ত বৃথা যাবে না এবং তাঁদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীনতা রক্ষা করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। শহীদ রিয়াজ ও আবু সাঈদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতার সংরক্ষণে সকলকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান অমিসহ কেরানীগঞ্জ মডেল থানা ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিয়ে মিছিল চলাকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় পুলিশের গুলিতে নিহত হন কেরানীগঞ্জের ইস্পাহানি ডিগ্রি কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র রিয়াজ হোসেন। তার মাথায় গুলি লাগে এবং পরে মরদেহ উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়। অনেক জায়গায় খোঁজাখুঁজির পর ২০ জুলাই বিকেলে পরিবার রিয়াজের মরদেহের সন্ধান পান।
সিএ/এএ


