ইসলামি সভ্যতা কেবল ধর্ম নয়; এটি মানবতাকে অন্ধকার থেকে আলোয় আহ্বান করা, নৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক এক জীবনদর্শন। হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এর তাওহীদ, ন্যায়বোধ ও যুক্তিনির্ভর চিন্তা সমাজে সাম্য, শিক্ষার বিস্তার ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করেছে।
সভ্যতা ও সংস্কৃতির দর্শন অনুযায়ী, সংস্কৃতি সভ্যতার বাহন। ইসলামি সভ্যতার কেন্দ্রবিন্দু মসজিদ যেখানে ইবাদাতের পাশাপাশি শিক্ষা, বিচার ও সামাজিক ঐক্য চর্চা করা হত। ইসলাম বিভিন্ন সংস্কৃতিকে অন্তর্ভুক্ত করে বিশ্বজনীন সভ্যতায় রূপান্তরিত হয়েছে।
ইসলামি সভ্যতা জ্ঞান-বিজ্ঞানে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছে। আল-খারেজমির বীজগণিত, ইবনে সিনার চিকিৎসাশাস্ত্র ও জাবির ইবনে হাইয়ানের রসায়ন আধুনিক শিক্ষার ভিত্তি স্থাপন করেছে। রুমি, হাফিজ ও সাদীর সাহিত্য মানব অন্তর্লোককে আলোকিত করেছে।
বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তি ও নৈতিকতার মধ্যে অসামঞ্জস্য, রাজনৈতিক স্বেচ্ছাচারিতা ও পরিবেশগত হুমকি সভ্যতার সংকটের প্রতীক। ইসলামি মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ন্যায়ের চর্চা আধুনিক সমাজে সমাধান হিসেবে প্রাসঙ্গিক।
সিএ/এমআর


