অনেকেরই শীত বা গরমের সময় শরীর স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ঠান্ডা অনুভব করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু কারণ সাধারণ হলেও কিছু ক্ষেত্রে এটি স্বাস্থ্যগত সমস্যা নির্দেশ করতে পারে।
১. প্রাকৃতিকভাবে ঠান্ডা শরীর: কম পেশি থাকলে শরীরের তাপ উৎপাদন কম হয়। নারীদের ও বয়স্কদের মধ্যে এটি বেশি দেখা যায়।
২. পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া: কম ঘুমে সার্কাডিয়ান রিদমের কারণে দিনের বেলায়ও ঠান্ডা বেশি অনুভূত হয়।
৩. রক্ত সঞ্চালন দুর্বল হওয়া: ধূমপান, অতিরিক্ত ওজন, উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসে রক্তপ্রবাহ কমে যায়।
৪. দ্রুত ওজন কমে যাওয়া: ত্বকের নিচের চর্বি কমে গেলে ‘ইনসুলেশন’ কমে যায়।
৫. ভিটামিন বি১২–এর ঘাটতি: রক্তস্বল্পতা এবং হাত-পা ঝিনঝিন করার সম্ভাবনা থাকে।
৬. থাইরয়েড সমস্যা (হাইপোথাইরয়েডিজম): শরীরের বিপাক ধীর হলে ঠান্ডা লাগা বেশি হয়।
৭. রক্তস্বল্পতা (অ্যানিমিয়া): রক্তে অক্সিজেন কম থাকলে হাত-পা ঠান্ডা হয়।
৮. রক্তনালির রোগ: পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ বা রেনোডস ডিজিজে হাত-পা ঠান্ডা, সাদা বা নীলচে হয়ে যায়।
৯. ডায়াবেটিস: স্নায়ু ও রক্তনালির ক্ষতির কারণে হাত-পায়ে ঝিনঝিন ও ঠান্ডা অনুভূত হয়।
ঠান্ডা লাগা কমানোর জন্য নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, স্তরে স্তরে পোশাক পরা, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এবং ধূমপান কমানো বা ত্যাগ করা জরুরি।
সিএ/এমআর


