একটি ইতিবাচক, ফলপ্রসূ ও আনন্দদায়ক কর্মপরিবেশ তৈরিতে অফিসের বস বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন ভালো বস কেবল নির্দেশ দেন না, বরং কর্মীদের অনুপ্রাণিত করেন, শ্রদ্ধা দেখান এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করেন। এতে কর্মীদের মনোবল ও উৎপাদনশীলতা দুটোই বাড়ে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন ভালো বস নিজের কাজের প্রতি উৎসাহী ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হন। তার এই উদ্দীপনা কর্মীদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে এবং কাজের লক্ষ্য পরিষ্কারভাবে বোঝাতে পারলে কর্মীরা আরও মনোযোগী হয়ে ওঠে। একই সঙ্গে নিয়ম ও প্রত্যাশার ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা কর্মপরিবেশে স্থিতিশীলতা আনে।
চাপের মুহূর্তে শান্ত ও স্বচ্ছ চিন্তাশক্তি ভালো বসের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। জটিল পরিস্থিতিতে রাগ বা হতাশা নয়, বরং ঠান্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নেওয়াই দলকে সঠিক পথে এগিয়ে নেয়। পাশাপাশি কর্মীদের কথা মন দিয়ে শোনা, তাদের অনুভূতি বোঝা এবং সহানুভূতিশীল আচরণ যোগাযোগকে আরও মসৃণ করে।
ভালো বস নম্রতা ও উদার মানসিকতার পরিচয় দেন। নিজের ভুল স্বীকার করে শেখার মানসিকতা কর্মীদের নিরাপত্তা ও আস্থাবোধ বাড়ায়। সিদ্ধান্ত গ্রহণে দৃঢ়তা, সততা ও স্বচ্ছতা একজন নেতাকে আলাদা করে তুলে ধরে। এতে কর্মীরা প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা রাখে।
এ ছাড়া কাজের প্রশংসা ও অনুপ্রেরণা কর্মীদের কর্মদক্ষতা বাড়ায়। ভালো বস কর্মীদের ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কেও যত্নবান হন এবং দলগত চিন্তাকে গুরুত্ব দেন। খোলা মনে মতামত গ্রহণের মাধ্যমে টিম আরও শক্তিশালী ও উদ্ভাবনী হয়ে ওঠে।
সিএ/এমআর


