২০২৬ সালের গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার (Global Firepower) সামরিক শক্তির বিশ্লেষণে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনীর শীর্ষ দেশগুলো প্রকাশিত হয়েছে। এই সামরিক শক্তির র্যাঙ্কিংটি ১৪৫টি দেশের সামরিক সক্ষমতা, সরঞ্জাম, জনবল, লগিস্টিক্স, অর্থনৈতিক শক্তি ও ভূ–রাজনৈতিক অবস্থানসহ বিভিন্ন মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।
১. যুক্তরাষ্ট্র – তালিকার প্রথম স্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র, যার কাছে সামরিক প্রযুক্তি, নৌ ও বায়ুসেনা এবং বৈশ্বিক প্রভাব সর্বোচ্চ পর্যায়ে।
২. রাশিয়া – দ্বিতীয় স্থানে থাকা রাশিয়া ব্যাপক সক্রিয় সৈন্য সংখ্যা ও শক্তিশালী পরমাণু ক্ষমতা দিয়ে উচ্চ র্যাঙ্ক ধরে রেখেছে।
৩. চীন – দ্রুত আধুনিকরণ, বড় সৈন্যপরিমাণ ও শক্তিশালী সামরিক সরঞ্জামের কারণে তৃতীয় স্থানে আছে চীন।
৪. ভারত – বিশাল জনবল, উচ্চ প্রতিরক্ষা ব্যয় ও পারমাণবিক সামর্থ্যে ভারত চতুর্থ স্থানে রয়েছে।
৫. দক্ষিণ কোরিয়া – উন্নত প্রযুক্তি, শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ও যন্ত্রণাদায়ী সামরিক সক্ষমতার কারণে পঞ্চম স্থানে।
৬. ফ্রান্স – অত্যাধুনিক সামরিক ক্ষমতা ও আন্তর্জাতিক উপস্থিতির কারণে ছয় নম্বরে।
৭. জাপান – উন্নত প্রযুক্তি ও শক্তিশালী রণতরির কারণে সপ্তম স্থানে।
৮. যুক্তরাজ্য – দীর্ঘ ঐতিহ্য, শক্তিশালী নৌসামরিক ও আন্তর্জাতিক উপস্থিতির জন্য।
৯. তুরস্ক – বড় সক্রিয় সেনা ও উচ্চ সামরিক সক্ষমতার জন্য।
১০. ইতালি – দক্ষ সেনাবাহিনী, আধুনিক সরঞ্জাম ও স্থিতিশীল র্যাঙ্কের জন্য শীর্ষ দশে রয়েছে।
এই তালিকায় সামরিক শক্তি শুধুমাত্র সৈন্যসংখ্যার ভিত্তিতে নয়; মূল্যায়ন করা হয় সামরিক সরঞ্জাম, বাজেট, প্রযুক্তি, ভূ–রাজনৈতিক অবস্থান ও প্রজেকশন ক্ষমতা—যা প্রতিটি দেশের সামরিক সামগ্রিক সক্ষমতা পরিমাপ করে।
সিএ/এসএ


