একটি দিনের শুরু যদি সঠিকভাবে হয়, তাহলে তার প্রভাব পড়ে পুরো দিনের কাজে ও মানসিক অবস্থায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সফল ও সুস্থ জীবনধারার অন্যতম চাবিকাঠি হলো সকালের সময়ের সঠিক ব্যবহার। অথচ অনেকেই ভোরে ওঠার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন না।
বিশ্বের অনেক সফল ব্যক্তিত্ব দিনের কাজ শুরু করেছেন ভোরবেলায়। উদাহরণ হিসেবে মার্গারেট থ্যাচারের কথা উল্লেখ করা হয়, যিনি প্রতিদিন সকাল পাঁচটায় ঘুম থেকে উঠতেন। গবেষণায় দেখা গেছে, সকালের সময় মানুষের কর্মক্ষমতা ও উৎপাদনশীলতা তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
সকালে ভালো ঘুমের পর শরীর ও মন থাকে সতেজ। এ সময় নেওয়া সিদ্ধান্ত সাধারণত বেশি কার্যকর হয়। তাই সফল হতে চাইলে সকাল আটটার আগেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
এর মধ্যে রয়েছে ব্যায়াম, দিনের কাজের তালিকা তৈরি, স্বাস্থ্যকর নাস্তা, পর্যাপ্ত সময় নিয়ে তৈরি হওয়া এবং সকালে অন্তত আধা লিটার পানি পান করা। এসব অভ্যাস শরীরকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তিও বাড়ায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সকালের শুরু যদি ধর্মীয় প্রার্থনা বা ধ্যানের মাধ্যমে হয়, তাহলে মানসিক স্থিরতা আরও বাড়ে। সুন্দর একটি সকালের প্রভাব দিনের অনেকটা সময় জুড়েই অনুভূত হয়।
সিএ/এমআর


