বর্তমান পেশাজীবীদের মধ্যে ‘স্যান্ডউইচ জেনারেশন’-এর ক্যারিয়ার ফাঁদ ক্রমবর্ধমান। ৪০–৫০ বছর বয়সের পেশাজীবীরা নতুন চাকরির দরজা প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এবং ছাঁটাইয়ের ঝুঁকিতে পড়ছেন। যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৫ সালের ‘ফোর্বস’ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, পঞ্চাশোর্ধ্ব কর্মীর অর্ধেক অবসরের আগে চাকরি হারান এবং পুনরায় আগের বেতন ও অবস্থান ফিরে পান না।
বাংলাদেশেও অনুরূপ পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে। প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও বয়সভিত্তিক বৈষম্য ৪০+ কর্মীদের স্থিতিশীলতা কমিয়ে দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের এসএইচআরএম জানাচ্ছে, ৫০ বছরের বেশি বয়সী ২৬ শতাংশ কর্মী সম্প্রতি বয়স নিয়ে কটাক্ষ বা মন্তব্যের শিকার হয়েছেন।
তাছাড়া ‘স্যান্ডউইচ দায়িত্ব’—একদিকে সন্তান, অন্যদিকে বয়স্ক বাবা-মা—সময় ও মানসিক শক্তি কমিয়ে দেয়। তবে অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ডিজিটাল আপস্কিলিং, ফ্রিল্যান্সিং, কনসালটিং বা পরামর্শদাতা হিসেবে ক্যারিয়ার চালিয়ে যাওয়া সম্ভব।
সঠিক পরিকল্পনা ও সঞ্চয় দৈনন্দিন খরচ ও জরুরি স্বাস্থ্যব্যয় নিশ্চিত করে। পেশাজীবীদের অভিজ্ঞতা তাদের মূল শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে।
সিএ/এমআর


