দেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি ও পরিবেশকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। বিভিন্ন পর্যবেক্ষক ও দলীয় নেতাদের মতে, একাধিক রাজনৈতিক দল নির্বাচনকে বিতর্কিত ও বাধাগ্রস্ত করার জন্য সরাসরি বা পরোক্ষভাবে পদক্ষেপ নিচ্ছে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালীন সময়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও তথ্যের ভিত্তিহীন প্রচার, ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব কর্মকাণ্ড ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ণ করতে পারে এবং নির্বাচনকে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে আয়োজনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে উত্তেজনা, দলীয় সংঘাত ও সামাজিক চাপও বেড়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করান, নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা রক্ষা করতে হলে নির্বাচন কমিশনকে সক্রিয়ভাবে নজরদারি ও তদারকি বাড়াতে হবে। জনগণকে বিভ্রান্তি থেকে রক্ষা করতে সত্যনিষ্ঠ তথ্য এবং সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক।
সিএ/এমই


