দেশের বিভিন্ন উপজেলার ১০৪টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ সংক্রান্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পত্রটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-১ অধিশাখা থেকে গত ২৭ জানুয়ারি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়। পত্রে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রাজীব কুমার সরকার।
পত্রে বলা হয়েছে, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের নামে ইস্যু করা তথাকথিত পত্রটি সঠিক নয়। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৫ জানুয়ারি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রধান উপদেষ্টার সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আলমের স্বাক্ষরসংবলিত একটি পত্র (স্মারক নম্বর: ০৩.০৬.২৬৯০.০৬৮.২৫.০০৩.২৬-৫৬) আসলে মন্ত্রণালয় বা প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে ইস্যু করা হয়নি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ওই পত্রে দাবি করা হয়েছিল যে প্রধান উপদেষ্টা সারা দেশের ১০৪টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের অনুমোদন দিয়েছেন। তবে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এটি সম্পূর্ণ ভুয়া।
এ অবস্থায় মাঠ পর্যায়ের সব দপ্তর ও সংস্থাকে সতর্ক থাকার এবং বিভ্রান্তিকর পত্রটির সঠিক নয় এমন তথ্য সংশ্লিষ্টদের জানানোর জন্য বলা হয়েছে।
সিএ/এএ


