উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবায় গুণগত পরিবর্তন আনার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে উপজেলা স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরো কার্যকর ও জনবান্ধব করার বিকল্প নেই।’
রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে ‘নবনিয়োগপ্রাপ্ত ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের (স্বাস্থ্য) ৩ হাজার ২৬৩ চিকিৎসক চাকরিতে যোগদান’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. সায়েদুর রহমান নতুন চিকিৎসকদের নিয়ে আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘এসব চিকিৎসকদের নির্বাচন প্রক্রিয়া ন্যায্যতা এবং স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়েছে। নবনিযুক্ত চিকিৎসকদের মেধা ও মানবিকতার ভিত্তিতে পদায়ন করা হবে। তাদের সংযুক্তির ফলে উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাবে।’
প্রসঙ্গত, গত বছরের জুলাইয়ে বিশেষ এ বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরে উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। এরপর চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি ৩ হাজার ৬ জনকে সহকারী সার্জন এবং ২৮০ জনকে সহকারী ডেন্টাল সার্জন হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে ৩ হাজার ২৬৩ জনকে সরকার নিয়োগ দিয়েছে।
অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, ‘স্বল্প সময়ে বিপুলসংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগ যুগান্তকারী ঘটনা। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে পদসৃজন থেকে শুরু করে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নবনিযুক্ত চিকিৎসকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘পদায়নের ক্ষেত্রে মানবিকতার বিষয়ও বিবেচনা করা হচ্ছে। দম্পতি বা স্বামী-স্ত্রীর চাকরি থাকলে একই জায়গায় পদায়ন প্রাধান্য পাবে। দুরারোগ্য কোনো ব্যাধি থাকলে তা বিশেষ বিবেচনায় রাখা হবে। আজকের পদায়ন মেধাভিত্তিক হলেও মানবিক উপাদানও যুক্ত থাকবে।’
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সচিব সাইদুর রহমান ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবু জাফর। এছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম চিকিৎসকদের যোগদান কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
সিএ/এএ


