শাবান মাস রমজানের পূর্ববর্তী মাস। রাসুল (সা.) শাবান ও রজব মাসে বেশি নফল ইবাদত ও রোজা রাখতেন। রমজানের আগের এই সময়টি মুমিনের জন্য প্রস্তুতির সুযোগ।
১. তওবা করা: রমজানের আগে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার জন্য আল্লাহর কাছে তওবা করা জরুরি। (সুরা নুর, আয়াত: ৩১)
২. দোয়া করা: রমজানের আগেই আল্লাহর কাছে দোয়া করুন, যেন সুস্থতার সঙ্গে রমজান পর্যন্ত জীবিত থাকেন এবং নেক আমল সম্পন্ন করতে পারেন।
৩. রমজানের আগমনে খুশি হওয়া: রমজানকে আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত হিসেবে গ্রহণ করুন। পরিবারের সবাই মিলে ইবাদতের রুটিন তৈরি করুন।
৪. ওয়াজিব রোজা থেকে মুক্ত হওয়া: অতীতের বাকি রোজা শাবান মাসে আদায় করা। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১,৮৪৯)
৫. ইবাদতে প্রতিবন্ধকতা দূর করা: রমজানে ইবাদতের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে এমন কাজ শেষ করুন।
৬. পরিবারিক ধর্মীয় মজলিস: পরিবারের সবাই মিলে রমজানের ইবাদত ও ফজিলত সম্পর্কে আলোচনা করুন।
৭. রোজা রাখা: শাবান মাসে কিছু রোজা রাখার অভ্যাস করুন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১,৮৬৮)
৮. কোরআন তিলাওয়াত: কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলুন। প্রতিটি হরফে নেকি বৃদ্ধি পায়।
৯. শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি: স্বাস্থ্য ও সুস্থতা নিশ্চিত করে রোজা পালন করুন।
১০. বৈষয়িক প্রস্তুতি: রমজানের আগে অফিস, ব্যবসা ও ব্যক্তিগত দায়িত্ব সামলান। নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ও জিকিরের অভ্যাস তৈরি করুন।
সিএ/এমআর


