বাগানে হাঁটতে বের হওয়ার সময় হঠাৎ ছোট্ট মৌমাছির কামড়। হাত লাল হয়ে ফুলে ওঠে, ব্যথা অব্যর্থ। প্রশ্ন জাগে, এত ছোট হুল দিয়ে এত তীব্র ব্যথা কিভাবে হয়?
মৌমাছির হুল হলো একটি উন্নত মানের হাইপোডার্মিক সিরিঞ্জের মতো। খাঁজকাটা হুল চামড়ার গভীরে ঢুকে যায় এবং সহজে বের করা যায় না। হুল ফোটানোর সময় মৌমাছি বিষের থলি আমাদের শরীরে ছাড়ে। বোলতা বা বল্লার হুল মসৃণ হওয়ায় তারা বারবার হুল ফোটাতে পারে।
মৌমাছির বিষের প্রধান উপাদান মেলিটিন। এটি কোষের পর্দা ভেঙে দেয়, যার ফলে মস্তিষ্ক ব্যথার সংকেত পাঠায়। হিস্টামিনের কারণে চামড়া লাল ও ফুলে যায়। ফসফোলাইপেজ এ-২ কোষ ক্ষতি করে, আর হায়ালুরোনিডেস বিষ দ্রুত ছড়িয়ে দেয়।
যুক্তরাষ্ট্রের পতঙ্গবিজ্ঞানী জাস্টিন শ্মিডট একটি স্কেল তৈরি করেছেন—‘শ্মিডট স্টিং পেইন ইনডেক্স’। এতে মৌমাছির কামড়ের ব্যথা ২.০ পয়েন্ট, বোলতার কামড় সামান্য বেশি।
মৌমাছির কামড় সাধারণত আত্মরক্ষার জন্য। তাই ওদের মারার বদলে পাশ কাটিয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
সিএ/এমআর


