আধুনিক যুগে রাত জেগে টেলিভিশন দেখা, ল্যাপটপ বা স্মার্টফোন ব্যবহার রাতের ঘুমকে প্রভাবিত করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টেলিভিশন ও ডিজিটাল ডিভাইসের নীলাভ আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিনের উৎপাদন ব্যাহত করে, ফলে ঘুম আসে দেরিতে এবং ঘুমের মান কমে।
গবেষণা থেকে জানা গেছে, প্রাগৈতিহাসিক যুগের মানুষের ঘুমের পরিমাণ আজকের মানুষের মতোই ছিল। লস অ্যাঞ্জেলেসের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া ও ইউনিভার্সিটি অব নিউ মেক্সিকোর দুই বিজ্ঞানী তিনটি আদিবাসী গ্রুপের ৯৪ জনের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে দেখেছেন, তারা গড়ে দিনে সাড়ে ছয় ঘণ্টা ঘুমাত। এটি আধুনিক শহরের মানুষের গড়ে সাত ঘণ্টার ঘুমের চেয়ে কম নয়, বরং অনেক জায়গায় সমান।
আদিমকালের মানুষ সূর্যাস্তের অন্তত সোয়া তিন ঘণ্টা পর ঘুমাত। এটি আলোর ওপর কম, বরং তাপমাত্রার ওপর বেশি নির্ভর করত। দিনের তাপ কমে ঠাণ্ডা হওয়ার পর ঘুম আসত। শীতকালে দিনে ঘুমানোর প্রবণতা কমত। আধুনিক যুগে মানুষ নির্ঘুম রোগে ভোগে এবং ওষুধ ছাড়া রাত জেগে থাকতে পারে। এই পার্থক্য খুঁজে বের করার জন্য আরও গবেষণা প্রয়োজন।
সিএ/এমআর


