ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ‘শত্রুতামূলক’ সামরিক কর্মকাণ্ডে নিজেদের আকাশসীমা, ভূখণ্ড কিংবা আঞ্চলিক জলসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেবে না বলে স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। একই সঙ্গে এ ধরনের কোনো অভিযানে লজিস্টিক সহায়তাও না দেওয়ার কথা জানিয়েছে আবুধাবি।
ইউএই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কৌশলগত যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক আফরা আল হামেলি এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো শত্রুতামূলক সামরিক কার্যক্রমে আমিরাতের আকাশসীমা, স্থলভাগ বা জলসীমা ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে না। তিনি আরও জানান, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে ইউএই কোনোভাবেই সম্পৃক্ত হবে না।
আফরা আল হামেলি বলেন, আঞ্চলিক সংকট সমাধানে সংলাপ, উত্তেজনা প্রশমন এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাই ইউএই-এর নীতিগত অবস্থান। মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কূটনৈতিক উদ্যোগই সবচেয়ে কার্যকর পথ বলে মনে করে দেশটি।
এদিকে, ইরানের ওপর সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক হামলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাশিয়া। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালালে তা মধ্যপ্রাচ্যে মারাত্মক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে। একই সঙ্গে সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে মস্কো।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যেকোনো সামরিক পদক্ষেপ এই অঞ্চলের পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও অস্থির করে তুলবে। তিনি জানান, রাশিয়া উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের কাছে শান্তিপূর্ণ আলোচনায় মনোযোগ দেওয়ার প্রত্যাশা করছে।
এর আগে ইসরাইলি গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, যুক্তরাষ্ট্র গত এক সপ্তাহ ধরে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং সেই প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়ে থাকতে পারে।
সিএ/এসএ


