সূর্য আমাদের সৌরজগতের কেন্দ্রবিন্দু। পৃথিবী থেকে তাকালে মনে হয়, এটি বিশাল এক আগুনের গোলা। পৃথিবীর তুলনায় সূর্য প্রায় ১০০ গুণ বড় হলেও বিজ্ঞানীরা এটিকে ‘বামন নক্ষত্র’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
ডেনমার্কের জ্যোতির্বিদ আইনার হার্টজস্প্রুং প্রথম এই ধারণা দিয়েছেন। তিনি নক্ষত্র পর্যবেক্ষণকালে দেখেছিলেন, লাল রঙের নক্ষত্রের উজ্জ্বলতা ভিন্ন। উজ্জ্বল নক্ষত্র হলো দৈত্যাকার, আর কম উজ্জ্বল নক্ষত্র হলো বামন নক্ষত্র। আমাদের সূর্য উজ্জ্বল এবং দৈত্যাকার নক্ষত্রের মধ্যে রয়েছে, তাই এটিকে বামন বলা হয়।
বিজ্ঞানের ভাষায় সূর্য হলো ‘G2V’ নক্ষত্র, যেখানে ‘V’ নির্দেশ করে যে এটি বামন নক্ষত্র। ছোটবেলায় আমরা সূর্যকে হলুদ রঙে আঁকি, কিন্তু মহাকাশ থেকে দেখা যায় সূর্য ধবধবে সাদা। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের কারণে আমরা সূর্যকে হলুদ দেখি।
সূর্য এখন তার যৌবনকাল পার করছে। ভেতরে হাইড্রোজেন পুড়ে হিলিয়াম তৈরি হচ্ছে, যা বিপুল শক্তি ছড়াচ্ছে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্য বড় হয়ে লাল দানব হয়ে যাবে। প্রায় ৫০০ কোটি বছর পর এটি এত বড় হবে যে বুধ, শুক্র ও পৃথিবীও এর পেটের ভেতর চলে যেতে পারে। তবুও আমাদের যুগে সূর্য বামন নক্ষত্র হিসেবেই আলোকিত থাকবে।
সিএ/এমআর


