জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানে তাকাইচি ঘোষণা করেছেন, এই শুক্রবার তিনি পার্লামেন্ট ভেঙে দেবেন। এর ফলে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী আশাবাদী, নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি শক্তিশালী ম্যান্ডেট পাবেন এবং দেশের পরিচালনায় জনগণের বিশ্বাস পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পারবেন।
গত অক্টোবরে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই তাকাইচি এবং তার মন্ত্রিসভা জনগণের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন অর্জন করেছেন। তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এটি একটি ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত’, যা জনগণের সঙ্গে জাপানের ভবিষ্যৎ পথ নির্ধারণ করবে। তিনি ভোটারদের অনুরোধ করেন, জাপানের পরিচালনার দায়িত্ব তার ওপর অর্পণ করার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে অংশ নিন।
বিবিসি জানায়, নির্বাচনে জাপানের নিম্নতম এবং অধিক ক্ষমতাধর হাউস, প্রতিনিধি পরিষদের ৪৬৫ সদস্য নির্বাচিত হবেন। বর্তমানে তাকাইচির লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) প্রতিনিধি পরিষদে ১৯৯টি আসন অর্জন করেছে, যা যেকোনো দলের মধ্যে সর্বোচ্চ।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে ভোটারদের সমর্থন আদায় করতে চাইছেন মূলত জাপানের প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধির, কর হ্রাস এবং নতুন নিরাপত্তা কৌশল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে। সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি আরও বলেন, ‘এই নির্বাচনের উপর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি ধরছি। আমি চাই জনগণ সরাসরি বিচার করুক, তারা কি আমাকে জাতির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেবেন কিনা।’
এছাড়া তাকাইচি খাদ্যের ওপর ৮ শতাংশ ভোগ্য কর দুই বছরের জন্য স্থগিত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, এর ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, পারিবারিক ব্যয় কমবে এবং অন্যান্য কর রাজস্বও বৃদ্ধি পাবে।
সিএ/এসএ


