ইরানজুড়ে চলমান বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে এক ইরানি বিক্ষোভকারী মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হচ্ছেন বলে মানবাধিকার সংস্থাগুলো জানিয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার আগে ২৬ বছর বয়সী এরফান সোলতানি তার পরিবারকে শেষবার মাত্র ১০ মিনিট দেখা করার সুযোগ পাবেন।
এরফান সোলতানি গত দুই সপ্তাহ ধরে চলমান বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রথম ব্যক্তি হতে পারেন। নরওয়েভিভিত্তিক স্বাধীন এনজিও হেঙ্গাও অর্গানাইজেশন ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, ছয় দিন আগে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ভিন্নমত দমনে শাসকগোষ্ঠীর কঠোর অভিযানের অংশ হিসেবে দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ায় তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
হেঙ্গাও জানিয়েছে, সোমবার সোলতানির পরিবারকে মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে জানানো হলেও তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ বা বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। সংস্থার সদস্য আরিনা মোরাদি জানিয়েছেন, পরিবার এই পরিস্থিতিতে ‘স্তম্ভিত’ এবং ‘চরম হতাশাগ্রস্ত’।
মোরাদি বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার তাকে আটক করা হয়, এরপর কয়েক দিন তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে কর্তৃপক্ষ ফোন করে জানায় যে তারা তাদের ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে এবং বুধবার তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে।’
ডেইলি মেইলের তথ্য অনুযায়ী, এরফান স্থানীয় একটি পোশাকের দোকানের মালিক। তার বোন একজন আইনজীবী হলেও মানবাধিকার সংস্থাগুলো অভিযোগ করেছে, ইরানি কর্তৃপক্ষ তাকে ভাইয়ের মামলার নথিপত্র দেখার অনুমতি দেয়নি। ফাঁসি কার্যকরের আগে এরফানকে পরিবারের সঙ্গে মাত্র ১০ মিনিট সময় কাটানোর অনুমতি দেওয়া হবে।
সূত্র: দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট
সিএ/এএ


