শীতের অত্যন্ত জনপ্রিয় সবজি বাঁধাকপি। মিহি করে কেটে পরিমিত মসলাপাতি দিলে এর স্বাদ অনেকের কাছেই প্রিয়। তবে রান্নার আগে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো এটি ভালোভাবে পরিষ্কার করা। স্তরে স্তরে সাজানো পাতার ভেতরে পোকামাকড় লুকিয়ে থাকলেও বাইরে থেকে তা সহজে বোঝা যায় না।
বাঁধাকপি আলাদা করে খোসা ছাড়ানোর সুযোগ নেই। তাই অনেকেই কেবল বাইরের অংশ পানি দিয়ে ধুয়েই রান্না করে ফেলেন। এতে উপরের ধুলোময়লা বা কিছু কীটনাশক ধুয়ে গেলেও ভেতরের স্তরে থাকা পোকামাকড় থেকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) প্রকাশিত জীবনযাপনবিষয়ক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাজার থেকে কেনা বাঁধাকপি একবার ধুয়ে নিলেই যথেষ্ট নয়, বরং কয়েকটি ধাপে পরিষ্কার করতে হবে। প্রথমেই বাঁধাকপির বাইরের দিকের কয়েকটি স্তর কেটে ফেলে দিতে হবে, কারণ এই অংশেই ধুলাবালি ও জীবাণু বেশি জমে থাকে।
এরপর গোটা বাঁধাকপিটি প্রথমে অর্ধেক এবং পরে আবার দুই ভাগ করে চার টুকরা করতে হবে। মাঝখানের শক্ত কাণ্ডের অংশটি কেটে বাদ দিলে পাতাগুলো সহজে আলাদা করা যায়। এরপর প্রতিটি স্তর আলাদা করে ছাড়িয়ে নিতে হবে, যাতে কোনো পোকামাকড় লুকিয়ে থাকার সুযোগ না থাকে।
পাতাগুলো আলাদা করার পর উষ্ণ গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে অন্তত দশ মিনিট ভিজিয়ে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে যদি কোনো পোকামাকড় থাকে, তা পানির ওপরে ভেসে উঠবে। পরে পাতাগুলো আবার পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।
লবণের পরিবর্তে উষ্ণ পানিতে ভিনেগার মিশিয়েও ভিজিয়ে রাখা যেতে পারে। এতে মাটি, কীটনাশক ও ক্ষতিকর উপাদান আরও ভালোভাবে পরিষ্কার হয়। তবে ভিনেগার মেশানো পানিতে ভেজানোর পর পাতাগুলো অবশ্যই আবার সাধারণ পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে, তারপর রান্নায় ব্যবহার করতে হবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শুধু বাঁধাকপি নয়, যেকোনো সবজি ধোয়ার ক্ষেত্রেই উষ্ণ পানি ব্যবহার করলে প্রাথমিকভাবে ধুলোময়লা ও ক্ষতিকর উপাদান দূর করা সহজ হয়, যা স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে সহায়ক।
সিএ/এমআর


