ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীতা বাছাই শেষে সিলেট জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়ন স্থগিত এবং সাত জনের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ায় স্থগিত হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে চার জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) সিলেটের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম প্রার্থীদের উপস্থাপিত নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে এ সিদ্ধান্ত জানান। একই সঙ্গে একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলের ঘোষণা দেওয়া হয়।
বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন সিলেট-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল মালিক, সিলেট-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী ফয়সল আহমদ চৌধুরী, একই আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মুজিবুর রহমান ডালিম এবং সিলেট-৬ আসনে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. জাহিদুর রহমান।
মনোনয়ন বৈধ হওয়ার বিষয়ে বিএনপির প্রার্থী ফয়সল আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘আয়কর রিটার্ন জমার মূল কাগজের ফটোকপি জমা দেওয়ায় আমার মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছিল। মূল কপি সাবমিট করার পর আমার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন নির্বাচন কমিশন।’
অন্যদিকে দ্বৈত নাগরিকত্ব সংক্রান্ত জটিলতায় স্থগিত থাকা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী এহতেশাম হকের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না পাওয়ায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে নিয়ম অনুযায়ী তার আপিল করার সুযোগ রয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, আগামী ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত এহতেশাম হক আপিল করতে পারবেন।
মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে এনসিপির প্রার্থী এহতেশাম হক বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমি পূর্ণ সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে আবেদন দাখিল করি। কিন্তু ইংল্যান্ডে এখন ছুটি থাকায় একনলেজমেন্ট দিতে না পারায়, সে অজুহাতে আমার আবেদন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। অথচ যুক্তরাজ্য বিএনপির সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট এম এ মালেক ও সাধারণ সম্পাদক কয়সর আহমদসহ অন্তত ডজনখানেক প্রার্থীর বেলায় একনলেজমেন্ট এনে দেওয়ার মৌখিক প্রতিশ্রুতিতে তাদের মনোনয়নপত্রের বৈধতা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সুতরাং নির্বাচন কমিশনের দক্ষতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে আর কথা বলার কিছু নেই।
সিএ/এএ


