লেবাননে হঠাৎ করে নিরাপত্তা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় দেশটির রাজধানী বৈরুত থেকে নিজেদের দূতাবাস কর্মীদের সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি ও নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানায় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। তারা জানিয়েছে, কর্মীদের একটি অংশকে দ্রুত সরিয়ে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
ওয়াশিংটনের বক্তব্য, লেবাননের ভেতরে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সংঘাত, সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা এবং সাম্প্রতিক নিরাপত্তা হুমকির কারণে দূতাবাস কার্যক্রমে ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ অবস্থায় কূটনৈতিক কর্মীদের নিরাপত্তাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় দ্রুত স্থানান্তর করা হয়েছে। দূতাবাস জানায়, মৌলিক জরুরি সেবা চালু থাকলেও বেশ কিছু কনস্যুলার কার্যক্রম সীমিত করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, বৈরুত ও এর আশপাশে নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের পর অন্যান্য পশ্চিমা দেশও পরিস্থিতি মূল্যায়ন শুরু করেছে। লেবাননের অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা এবং আঞ্চলিক সংঘাতের ছায়া দেশটির সাধারণ মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি করেছে।
লেবাননের বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপ কেবলমাত্র সতর্কতামূলক হলেও এর প্রভাব দেশটির রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তারা বলছেন, দ্রুত পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ব্যাপক কূটনৈতিক কর্মী স্থানান্তরের পথে যেতে পারে।
সিএ/এসএ


