ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি ইরানকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্গঠন করতে দেবেন না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। কিছু মূল বিষয় এখানে তুলে ধরা যায়:
- সরাসরি হুঁশিয়ারি
- নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরান যদি আবার ক্ষেপণাস্ত্র শিল্প পুনর্গঠন বা পারমাণবিক কর্মসূচি চালু করতে চায়, তাদের “অত্যন্ত ভয়াবহ” পরিণতি হবে।
- এটি ইসরায়েলের সামরিক ও কৌশলগত দৃঢ় অবস্থানকে প্রকাশ করছে।
- যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়
- হুঁশিয়ারিটি এসেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পূর্ববর্তী হুমকির কয়েক দিন পর।
- ট্রাম্পও ইরানের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি “নির্মূল” করার হুমকি দিয়েছিলেন।
- বোঝা যাচ্ছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক-নৈতিক সমন্বিত চাপ প্রয়োগ করতে চাচ্ছে।
- পূর্ববর্তী সংঘাতের প্রেক্ষাপট
- ২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ১২ দিনের সংঘাত হয়।
- সেই সময় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে ক্ষতি হয়েছিল।
- নেতানিয়াহুর বক্তব্য ইঙ্গিত দেয়, সেই সংঘাতের প্রভাব ও ক্ষতি পুনরায় ঘটতে দেওয়া হবে না।
- সামগ্রিক বার্তা
- ইসরায়েল স্পষ্টভাবে ইরানের সামরিক ক্ষমতার পুনঃউন্নয়ন রোধে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
- কোনো আক্রমণ হলে তাদের প্রতিক্রিয়া মারাত্মক হবে, যা ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক স্থাপনার প্রতি প্রতিরোধমূলক হুমকি হিসেবে দেখা যায়।
সংক্ষেপে, নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি হলো ইরানকে সন্ত্রাসমূলক ও অস্ত্রসংক্রান্ত কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখার জন্য কড়া রুখে দাঁড়ানো বার্তা, যা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বিত।
আপনি চাইলে আমি ইরান–ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক চিত্র বা ডায়াগ্রাম আকারে দেখাতে পারি, যাতে বোঝা আরও সহজ হয়। এটি চাইবেন কি?
সিএ/এসএ


