জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল সম্প্রতি জানিয়েছেন, আইসিসি থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) প্রতি বছরে নিজেদের মোট রাজস্ব আয়ের একটি বড় অংশ পায়। তিনি উল্লেখ করেছেন, বিশ্বকাপ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বোর্ডের জন্য অর্থের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।
বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, আইসিসি থেকে প্রতি বছর বোর্ড মোট রাজস্বের প্রায় ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ অর্থ প্রাপ্ত হয়। তিনি আরও বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন কারণে বোর্ডের অভ্যন্তরীণ আয় কিছুটা কমলেও আইসিসি থেকে প্রাপ্ত অর্থ মোট আয়ের ৯০ শতাংশের বেশি নয়।’
আইসিসি থেকে প্রাপ্ত অর্থের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক হোম সিরিজের টেলিভিশন স্বত্ব, স্পনসরশিপ, জাতীয় দলের টাইটেল স্পনসর, আন্তর্জাতিক সিরিজের স্পনসর, কিট স্পনসরশিপ থেকেও বিসিবি উল্লেখযোগ্য রাজস্ব অর্জন করে।
বিসিবি প্রতিবছর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল), ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ, জাতীয় ক্রিকেট লিগ ও বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ আয়োজন করে অর্থ আয় করে। এছাড়া স্টেডিয়ামের টিকিট বিক্রি, গ্রাউন্ড রাইটস, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল থেকে প্রাপ্ত লভ্যাংশ এবং ব্যাংকে রাখা স্থায়ী আমানত বা এফডিআরের সুদও বিসিবির রাজস্বের অংশ।
২০২২-২৩ অর্থ বছরে বিসিবি মোট ৫০০ কোটি ৭৬ লাখ টাকা আয় করে, যার মধ্যে আইসিসি থেকে প্রাপ্ত অর্থ ছিল প্রায় ১৬৬ কোটি টাকা। এটি মোট আয়ের প্রায় ৩২.৫ শতাংশ।
আইসিসি ২০২৪-২৭ চক্রে বিসিবির আয়ের পরিমাণ বেড়েছে। এই সময়ে আইসিসির মোট রাজস্বের ৪.৪৬ শতাংশ অর্থ পাবে বাংলাদেশ, যা প্রায় ২৯০ কোটি টাকা। বিশেষভাবে ২০২৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় এই আয় আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
সূত্র
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)
সিএ/এসএ


