ইউটিউবে বর্তমানে কোন ধরনের ভিডিও জনপ্রিয়তা পাচ্ছে, তা জানতে আগ্রহী অনেক ব্যবহারকারী ও কনটেন্ট নির্মাতা। একসময় আলাদা ট্রেন্ডিং পেজ থাকলেও এখন সেটি বন্ধ। ফলে ট্রেন্ডিং ভিডিও শনাক্ত করতে ইউটিউবের বিভিন্ন ফিড ও নিজস্ব টুলের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
ইউটিউবের হোম ফিড, এক্সপ্লোর সেকশন এবং শর্টস ফিডে ব্যবহারকারীর আগ্রহ অনুযায়ী জনপ্রিয় কনটেন্ট দেখানো হয়। এসব জায়গায় নিয়মিত নজর রাখলে কোন ধরনের ভিডিও বেশি ভিউ ও এনগেজমেন্ট পাচ্ছে, তা সহজেই বোঝা যায়। একই সঙ্গে কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য ইউটিউব স্টুডিওতে থাকা ইন্সপিরেশন বা রিসার্চ ট্যাব ট্রেন্ডিং সার্চ ও আলোচিত বিষয় সম্পর্কে ধারণা দেয়।
বর্তমানে ইউটিউবে সবচেয়ে দ্রুত ভাইরাল হচ্ছে শর্টস ভিডিও, ফানি কনটেন্ট, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং নতুন গান বা সিনেমার রিভিউ। অল্প সময়ের এসব ভিডিও সহজেই দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে। ইউটিউব স্টুডিওর রিসার্চ ট্যাব ব্যবহার করে কোন কীওয়ার্ড বেশি সার্চ হচ্ছে এবং দর্শকের আগ্রহ কোন দিকে যাচ্ছে, তা বিশ্লেষণ করা যায়।
ইউটিউবের বাইরেও গুগল ট্রেন্ডস ব্যবহার করে জনপ্রিয় সার্চ বিষয় খোঁজা সম্ভব। সেখানে ইউটিউব সার্চ ফিল্টার নির্বাচন করলে নির্দিষ্ট সময়ের ট্রেন্ডিং টপিক সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়। এছাড়া কিছু থার্ড-পার্টি টুল ট্রেন্ডিং ভিডিও বিশ্লেষণ ও জনপ্রিয়তার গ্রাফ দেখায়। তবে এসব টুল ব্যবহারের আগে নিরাপত্তা যাচাই করা জরুরি।
ট্রেন্ড কাজে লাগাতে কনটেন্ট নির্মাতাদের দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। নিজস্ব স্টাইল বজায় রেখে আকর্ষণীয় শিরোনাম ও বর্ণনা ব্যবহার করা এবং শর্টস ও লং-ফরম্যাট—দুই ধরনের কনটেন্টেই কাজ করলে ভিউ ও দর্শক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়।
সিএ/এমআর


